প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১৬, ২০২৬, ৬:১৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ৪, ২০২৫, ৭:৫৪ পি.এম
চা-ওয়ালী আর কেতলী বাহক: নিনা ফেয়া

টিনের চালার শেষ খুপরির ভেতরে
আমার হাতের উপরেই তুমি তোমাকে সমর্পিত করলে।
কেন কবি?
কেন এ স্বপ্ন আমি দেখলাম?
আরও দেখলাম এই আগুন, মাটি, মানচিত্র, মানুষ কেউ তোমার নয় ; কেউ না।
নখের কোনা ফাটা আঙ্গুলে টিপে টিপে ব্যথা সহ্য করে করে মানুষের জন্য যে শালবন এঁকেছিলে, পাখি এঁকেছিলে, ফুল এঁকেছিলে, সরিষার ক্ষেত এঁকেছিলে!
তারাও তোমায় ছেড়ে গেছে।
দুহাতে মাথাটা জড়িয়ে ধরে কেবল অশ্রু দিয়ে তোমার সমাধি গড়ার বৃথা চেষ্টায় জীবনের শেষ ব্যর্থ গল্প লিখছি।
আমি ভীষণ একা হয়ে গেছি, তুমিও।
আগুন কিম্বা মাটি কেউই তোমাকে গ্রহণ করলো না।
আমার বুকের মাঝখানে পড়ে রইলে,
পড়েই রইলে .... নাড়াতে পারলাম না।
কত ডাকলাম!
টং ঘর ফাঁকা পড়ে আছে, ওঠো! ওঠো!
ভোর হয়ে গেছে, ওঠো!
ওঠোনি।
চোখ ছাড়িয়ে জল গড়িয়ে কান ছুঁয়েছে,
চোখের পাশেই আরো দু 'চোখ ...
চা-ওয়ালী আর কেতলী বাহক।
সম্পাদক মণ্ডলীর সভাপতি ও প্রকাশক আলহাজ্ব মো. জাহাঙ্গীর আলম
সম্পাদক: মুহাম্মদ হাবীবুল্লাহ হেলালী
ইমেইল: theweeklysimanthokantho@gmail.com,
সম্পাদকীয় কার্যালয়: জাবা কমপ্লেক্স (নীচতলা) বালিকা বিদ্যালয় রোড, ছাতক সুনামগঞ্জ।
মোবাইল : ০১৭১৬ ৯০০১৭৩, ০১৭১১০৩৯৭৮৮
Copyright © 2026 সীমান্ত কণ্ঠ. All rights reserved.