মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরান খালি করতে সতর্কবার্তা দেওয়ার পর রাজধানী ছেড়ে পালাচ্ছেন হাজারো মানুষ। ফলে সড়কে সৃষ্টি হয়েছে নজিরবিহীন যানজট।
ইসরাইলি বিমান হামলায় তেহরানের হাসপাতাল ও টেলিভিশন স্টেশনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, নিহত হয়েছেন সাংবাদিকসহ বহু মানুষ। রাজধানীর ইমাম খোমেনি হাসপাতালে রক্তাক্ত আহতদের ভিড় ‘রক্তস্নানে’ রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ইসরাইল দাবি করছে, তারা ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা আলি সাদমানিকে হত্যা করেছে। পাল্টা জবাবে ইরানও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে এবং ইসরাইলের সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনা লক্ষ্য করছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সরাসরি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক শক্তি হতে দেবেন না, এজন্যই শহর খালি করতে বলেছেন তিনি।
ইউরোপ ও চীন এই সংঘাতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। স্পেন ইসরাইলে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে, আর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ইরানের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধ দ্রুতই পূর্ণমাত্রায় রূপ নিতে পারে। ইরান জানিয়েছে, তারা পিছু হটবে না—তাদের অবস্থান ‘ডু অর ডাই’। এ অবস্থায় বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ আতঙ্ক আরও গভীর হচ্ছে।
মন্তব্য করুন